শহরটা মাঝে মাঝে ভেঙে পড়তেও থাকে, কিন্তু নতুন করে গড়ার আগেও বৃষ্টির ঘরটি টিকে থাকে।
আলুর দোকানের জানালার পাশে ভেজা ধুলো মেখে থাকে জ্বালানি, আর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলা মানুষগুলো নিজেদের কথা খুঁজে নেয়।
একটা ছাদের নিচে কেঁদে উঠল জ্যাঠার কণ্ঠ, আরেকটা ভেজা চুলের নিচে চুপচাপ বেঁচে থাকা মা।
সেই রাতে রাস্তায় পানি জমে ছিল, কিন্তু পরিবারের গল্পগুলো আরও নরম হয়ে উঠেছিল।
কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে আসছিল বৃষ্টির নরম ধাক্কা, যেন শূন্যতার ভেতরও মানুষ বাঁচতে চায়।
সকাল হলে শহর ভাঙা কংক্রিটের ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে নরম আলোর রেশ।
বৃষ্টি থেমে গেলে ঘরটা যে বেঁচে ছিল, তা বুঝতে পারা যায় কাঁধের ভেতরের নরম হামাগুড়ি থেকে।
